বিশেষ প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি।।
মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এর প্রধান জন র্যাটক্লিফ। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম কয়েক বছর পিছিয়ে দিয়েছে। খবর বিবিসির।
তার এই দাবি ফাঁস হওয়া একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ওই গোয়েন্দা প্রতিবেদনে মার্কিন হামলার প্রভাবকে ছোট করে দেখানো হয়েছে। হামলায় পারমাণবিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও দাবি করেছিলেন ট্রাম্প।
জন র্যাটক্লিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। যদিও তিনি ‘ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি নির্মূল করা হয়েছে’ এমন কথা বলা থেকে বিরত থেকেছেন।
র্যাটক্লিফ জানান, সিআইএ এর তথ্যে ঐতিহাসিকভাবে নির্ভরযোগ্য এবং সঠিক উৎস থেকে পাওয়া নতুন গোয়েন্দা তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি বেলন, সিআইএ এর পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইরানের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। অনেক বছর ধরে সেগুলো পুনর্নির্মাণ করতে হবে বলেও দাবি করেন র্যাটক্লিফ।
এরআগে, ফাঁস হওয়া এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বিমান হামলায় দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়নি। এই হামলা দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রম শুধুমাত্র কয়েক মাস পিছিয়ে দিয়েছে।
এর আগে গত শনিবার অত্যাধুনিক বি-২ স্টিলথ বোমারু ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলাকে অত্যন্ত সফল বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু মাত্র তিনদিনের মাথায় বুধবার এই নতুন তথ্য জানায় পেন্টাগন ।
পেন্টাগনের গোয়েন্দা শাখা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা ডিআইএ এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এই হামলায় ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
প্রতিবেদন ফাঁস এবং এটা নিয়ে ট্রাম্পের কড়া প্রতিক্রিয়ার একদিন পর সিআইএর পরিচালক বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করলেন।